বুধবার, ১১ মার্চ, ২০১৫

মধুপুর উপজেলায় ডিজিটাল মেলা

টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত ১০ মার্চ ২০১৫ থেকে শুরু হয়েছিল ২ দিন ব্যাপি ডিজিটাল মেলা । এই মেলা শেষ হয়েছে আজ বুধবার ১১ মার্চ ২০২৫ তে । মূলত এই মেলা মধুপুর উপজেলায় প্রথম, তাই অনেকটা হঠাৎ করেই এবং কোন প্রকার প্রচার-প্রচারনা ছাড়াই শুরু হয়েছে ডিজিটাল মেলা । মেলায় সব মিলিয়ে স্টল বসেছিল ২০ টি । বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ অনেক সরকারী এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এই মেলায় অংশগ্রহণ করেন । উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন- মূলত পরীক্ষামূলক ভাবে হঠাৎ করেই মেলার আয়োজন করতে হয়েছে । পরবর্তীতে এই মাসের শেষের দিকে আবার জাকজমকভাবে ডিজিটাল মেলার আয়োজন করা হবে । মেলাটি পরীক্ষামূলক হলেও মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল চোখে পরার মতো । মধুপুর উপজেলায় প্রথম ডিজিটাল মেলায় কোন প্রকার জাকজমক না থাকলেও দর্শনার্থীদের আনন্দ উচ্ছাসের কোন কমতি ছিল না  এই মেলায় ।

রবিবার, ১ মার্চ, ২০১৫

আমাদের দাবী একটাই, মধুপুর জেলা চাই

মধুপুর জেলার দাবীতে মানব বন্ধন

সাল ২০১২ । সকালে বাজারে রওয়ানা দিয়েছি বাজার করার জন্য । রাস্তায় নামতেই দেখি সারা রাস্তা জুরে শুধু ব্যানার, ফেষ্টুন আর লিফলেট । সমস্ত মধুপুর উপজেলার রাস্তা জুড়ে ছেয়ে গেছে ব্যানার ফেষ্টুন আর লিফলেটে । কোনটা হাতে লেখা ব্যানার আবার কোনটা কম্পিউটারে করা ডিজিটাল ব্যানার । না কোন বিশাল জন্য নয়, কোন এম পি বা মিনিষ্টার আসবে না । এগুলো সবই মধুপুর জেলা করার দাবীতে । সমস্ত মধুপুরের জনগণ যে যেভাবে পেরেছে মধুপুর জেলার দাবীতে লিখেছে । এ যেন আরেকটি যুদ্ধ জয় করার প্রয়াস। মধুপুর জেলা করা মধুপুর মানুষের স্বপ্নের দাবী। আবার কিছুদিন আগে দেখলাম মধুপুর জেলা করার দাবীতে মধুপুর বাসস্ট্যান্ডে মানব বন্ধন হয়েছে । মধুপুর জেলা করার অনেক যুক্তিও আছে । সবার প্রথমে আসি যোগাযোগ ব্যবস্থা । মধুপুর মোটামোটি সমস্ত বাংলাদেশে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব উন্নত । যা খুব কম উপজেলায় থাকে । বিশেষ করে বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় যোগাযোগের ব্যবস্থা আছে মধুপুর উপজেলা থেকে । মধুপুররের তিনদিকে আছে তিনটি জেলা- উত্তরে টাঙ্গাইল জেলা , দক্ষিনে ময়মনসিংহ জেলা (বর্তমানে বিভাগ), এবং পশ্চিমে জামালপুর জেলা। এই মধুপুরের আনারস এবং কাঠাল প্রথিবী বিখ্যাত । এখানে আছে অনেক দর্শনীয় স্থান । যা দেখতে প্রতিবছর অনেক দেশি বিদেশী পর্যটক আসে । আরো আছে শুটিং স্পট ও পার্ক । সালমান শাহ ও শাবনুর অভিনীত আনন্দ অশ্রু থেকে শুরু করে ফেরদৌস ও পপি অভিনিত রানী কুঠির বাকী ইতিহাস রিয়াজ ও পুর্নিমা অভিনীত হৃদয়ের কথার মতো জনপ্রিয় ছবিগুলোর শুটিং হয়েছে মধুপুরে । তাছাড়া মধুপুর আছে বাংলাদেশের বিখ্যাত একটি বিদ্যাপিঠ মধুপুর শহীদ স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজ । আরো আছে বাংলাদেশ বিমান বাহীনির বিমান ঘাটি এবং অনেক মিল কারখানা ইত্যাদি । সুতরাং সবদিক বিবেচনা করে মধুপুর জেলা চাই দাবীটি যুক্তিপূর্ণ ।